ঢাকা ১০:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

দেড় লাখ টন সার ও এক কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার

সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:১৯:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৪৫ বার পড়া হয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

কানাডা ও রাশিয়া থেকে আরও দেড় লাখ মেট্রিক টন মিউরেট অব পটাশ (এমওপি) সার এবং কাতার থেকে এক কার্গো অতিরিক্ত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। একই বৈঠকে খাদ্য অধিদপ্তরের জন্য ১ কোটি পিস পাটের বস্তা কেনার প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়েছে।

বুধবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালিভাবে অনুষ্ঠিত কমিটির সভায় এসব অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের চারটি অনুমোদিত প্রস্তাবই এমওপি সার আমদানির। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) সারগুলো আমদানি করবে। এর মধ্যে দুটি লটে কানাডা থেকে সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) পদ্ধতিতে এবং দুটি লটে রাশিয়া থেকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের চুক্তির আওতায় সার আমদানি করা হবে।

কানাডা থেকে দুই লটে ৮০ হাজার টন এমওপি সার আমদানিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৭৭ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। অন্যদিকে, রাশিয়া থেকে নবম ও দশম লটে ৩৫ হাজার টন করে এমওপি সার আমদানি করা হবে। দুই লটে ব্যয় ধরা হয়েছে যথাক্রমে ১৬৫ কোটি ৪১ লাখ এবং ১৬৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। দুই লটেরই সুপারিশকৃত দরদাতা জেএসসি ‘ফরেন ইকোনমিক করপোরেশন (প্রোডিনটর্গ)’, রাশিয়া।

কাতার থেকে অতিরিক্ত এলএনজি কার্গো

কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসির সঙ্গে জিটুজি ভিত্তিতে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় চুক্তিতে বিদ্যমান মুল্যের ভিন্ন মূল্যে এক কার্গো অতিরিক্ত এলএনজি আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয় সভায়। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাব অনুযায়ী ২৩ ডিসেম্বর ২০২৬ সময়ে কাতার থেকে এক কার্গো এলএনজি কেনা হবে। কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসি কাছ থেকে প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (এমএমবিটিইউ) এলএনজি জেকেএম সূচকের চেয়ে শূন্য দশমিক ১০ ডলার কম দামে কেনা হবে।

এ ছাড়া খাদ্য অধিদপ্তরের জন্য ১ কোটি পিস পাটের বস্তা কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ই-জিপি সিস্টেমে ৫০টি প্যাকেজের মাধ্যমে এসব বস্তা কেনা হবে। প্রতিটি বস্তার ধারণক্ষমতা ৩০ কেজি। এ জন্য মূল চুক্তিমূল্য ৬৪ কোটি ৮১ লাখ। ৫০টি প্যাকেজে ১৩টি প্রতিষ্ঠানকে সুপারিশকৃত দরদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

দেড় লাখ টন সার ও এক কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার

আপডেট সময় : ১০:১৯:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

কানাডা ও রাশিয়া থেকে আরও দেড় লাখ মেট্রিক টন মিউরেট অব পটাশ (এমওপি) সার এবং কাতার থেকে এক কার্গো অতিরিক্ত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। একই বৈঠকে খাদ্য অধিদপ্তরের জন্য ১ কোটি পিস পাটের বস্তা কেনার প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়েছে।

বুধবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালিভাবে অনুষ্ঠিত কমিটির সভায় এসব অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের চারটি অনুমোদিত প্রস্তাবই এমওপি সার আমদানির। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) সারগুলো আমদানি করবে। এর মধ্যে দুটি লটে কানাডা থেকে সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) পদ্ধতিতে এবং দুটি লটে রাশিয়া থেকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের চুক্তির আওতায় সার আমদানি করা হবে।

কানাডা থেকে দুই লটে ৮০ হাজার টন এমওপি সার আমদানিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৭৭ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। অন্যদিকে, রাশিয়া থেকে নবম ও দশম লটে ৩৫ হাজার টন করে এমওপি সার আমদানি করা হবে। দুই লটে ব্যয় ধরা হয়েছে যথাক্রমে ১৬৫ কোটি ৪১ লাখ এবং ১৬৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। দুই লটেরই সুপারিশকৃত দরদাতা জেএসসি ‘ফরেন ইকোনমিক করপোরেশন (প্রোডিনটর্গ)’, রাশিয়া।

কাতার থেকে অতিরিক্ত এলএনজি কার্গো

কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসির সঙ্গে জিটুজি ভিত্তিতে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় চুক্তিতে বিদ্যমান মুল্যের ভিন্ন মূল্যে এক কার্গো অতিরিক্ত এলএনজি আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয় সভায়। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাব অনুযায়ী ২৩ ডিসেম্বর ২০২৬ সময়ে কাতার থেকে এক কার্গো এলএনজি কেনা হবে। কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসি কাছ থেকে প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (এমএমবিটিইউ) এলএনজি জেকেএম সূচকের চেয়ে শূন্য দশমিক ১০ ডলার কম দামে কেনা হবে।

এ ছাড়া খাদ্য অধিদপ্তরের জন্য ১ কোটি পিস পাটের বস্তা কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ই-জিপি সিস্টেমে ৫০টি প্যাকেজের মাধ্যমে এসব বস্তা কেনা হবে। প্রতিটি বস্তার ধারণক্ষমতা ৩০ কেজি। এ জন্য মূল চুক্তিমূল্য ৬৪ কোটি ৮১ লাখ। ৫০টি প্যাকেজে ১৩টি প্রতিষ্ঠানকে সুপারিশকৃত দরদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।